



মীর আহমদ বিন কাসেম, যিনি ব্যারিস্টার আরমান নামেও পরিচিত, একজন বাংলাদেশী ব্যারিস্টার এবং মানবাধিকার কর্মী, যিনি বাংলাদেশ সরকারের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর তথা ডিজিএফআই-এর হাতে বলপূর্বক গুমের শিকার বলে অভিযোগ রয়েছে।
মীর আহমেদ বিরোধী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জামায়াত-ই-ইসলামীর বিশিষ্ট নেতা প্রয়াত মীর কাসেম আলীর ছেলে এবং অপহরণের পূর্বে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে তার বাবার আইনজীবী দলের সদস্য ছিলেন
আগস্ট ৬, ২০২৪ মীর আহমদ মুক্তি পেয়ে পরিবারের কাছে ফিরে আসেন।
ফি আমানিল্লাহ

ব্যারিস্টার আহমাদ বিন কাসেম আরমান। তিনি হলেন বিচারিক হত্যাকাণ্ডের শিকার জামায়াত নেতৃবৃন্দের আইনজীবী এবং মীর কাসেম আলীর সন্তান। এই অপরাধে তাঁকে গুম করা হয় ২০১৬ সালের ৯ আগস্ট। এরপর ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট পর্যন্ত দীর্ঘ আট বছর তিনি কাটিয়েছেন জীবন-মৃত্যুর মাঝে ঝুলে থাকা এক দুঃসহ বন্দিত্ব। সেই বন্দিত্বের প্রতিটি দিন ছিল বিভীষিকাময়। যেকোনো হৃদয়বান মানুষের হৃদয়কে কাঁপিয়ে দেওয়ার মতো সেই দিনগুলো তিনি কাটিয়েছেন ঈমান ও তাওয়াক্কুলকে সঙসব জুলুমের শেষ আছে। আছে জালিমের পতন। দীর্ঘ আট বছর পর জালিম হাসিনাশাহির পতন হয়েছে। তার পতন ও পলায়নে মুক্তি পেয়েছে দেশের মানুষ। সাথে মুক্তি পেয়েছেন গুমের অন্ধকারে জীবনের সোনাঝরা আটটি বছর হারানো ব্যারিস্টার আরমানব্যারিস্টার আরমানের গুম জীবনের অসহনীয় সময়গুলোকে ধারণ করে প্রকাশিত হচ্ছে তার বই ‘আয়নাঘরের সাক্ষী : গুম জীবনের আট বছর.।



আমি বিশ্বাস করি, একটি সত্যিকারের পরিবর্তন আনতে হলে আমাদের অবশ্যই ন্যায়, সত্য ও মানবিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে কাজ করতে হবে।

স্থানীয় সম্প্রদায়ের উন্নয়নে বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্প বাস্তবায়ন
অবহেলিত শিশুদের শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ
মৌলিক মানবাধিকার সুরক্ষায় আইনি সহায়তা ও সচেতনতা কার্যক্রম
প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা প্রদান
যুবসমাজকে দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি
পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কার্যক্রম
দুঃখিত, এই মুহূর্তে কোন ছবি উপলব্ধ নেই।


কোন ইভেন্ট পাওয়া যায়নি